মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশ—ডিজেল সহায়তায় এগিয়ে এলো ভারত। (ছবিটি AI দ্বারা তৈরি)
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণ এশিয়াতেও। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানি সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জ্বালানি সহায়তার জন্য প্রতিবেশী ভারত-এর দ্বারস্থ হয়েছে ঢাকা।খবরে জানা গেছে, নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। যার সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১১৩৭ থেকে ১৪৬১ কোটি টাকা।এই ডিজেল সরবরাহ করা হবে ভারত‑বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন এর মাধ্যমে, যা দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতার অংশ।মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে ইরান-ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে গেছে। ফলে বাংলাদেশের জ্বালানি মজুদ দ্রুত কমে বর্তমানে দুই সপ্তাহেরও কমে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে।

এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ সরকার নাগরিকদের জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়েছে এবং পেট্রোল-ডিজেল কেনার ওপর দৈনিক সীমা নির্ধারণ করেছে, যাতে আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনাকাটা না হয়।যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-বাংলাদেশ রাজনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন দেখা গেছে, তবুও জ্বালানি খাতে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
