মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবার—সন্তানহারা পিতা–মাতার সঙ্গে দেখা করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক।
এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটল আগরতলায়। দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী দ্বীপানিতা পাল মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। মাত্র আট বছরের এই নিষ্পাপ শিশুটি পড়ত শহিদ ক্ষুদিরাম বসু ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে যোগেন্দ্রনগর–বিদ্যাসাগর এলাকা জুড়ে।দ্বীপানিতার বাবা দেবাশীষ পালের কাছ থেকে জানা যায়, গত ৯ই নভেম্বর স্কুলে একটি অনুষ্ঠানের রিহার্সাল চলাকালীন তীব্র রোদে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে সে অসুস্থতা বোধ করে। বাড়ি ফেরার পর তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান—সে সান স্ট্রোক-এ আক্রান্ত হয়েছে এবং অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। অবশেষে মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় দ্বীপানিতার।

আজ বুধবার সন্তানহারা পিতা–মাতার সাথে দেখা করতে তাদের বাড়িতে যান প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। গভীর শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন—“এ শূন্যতা কোনোদিন পূরণ করা যাবে না। ঈশ্বর তাদের এই কঠিন সময়ে শক্তি দিন।”দ্বীপানিতার এই মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্কুল প্রশাসনের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব এলাকাবাসী।

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক দ্বীপানিতার পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়ে তিনি বলেন—“একটি শিশুর মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এই শূন্যতা কোনোদিনই পূরণ হবে না। পরিবার যেন ন্যায়বিচার পায়—তার জন্য যা যা প্রয়োজন সবই করা হবে।”প্রতিমা ভৌমিকের এই পরিদর্শন ও প্রতিশ্রুতি নতুন স্বরে প্রশ্ন তুলেছে—শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কতটা সতর্ক? এই গাফিলতির দায় কে নেবে?স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা দোষীদের কঠোর শাস্তি ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
