৩৬তম ত্রিপুরা শিল্প ও বাণিজ্য মেলার স্টল বুকিং সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়ে প্রকাশিত প্রেস ব্রিফিং।
আগরতলা | ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ : ত্রিপুরার সর্ববৃহৎ শিল্প ও বাণিজ্য মেলা—৩৬তম ত্রিপুরা শিল্প ও বাণিজ্য মেলা ২০২৬ উপলক্ষে স্টল বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও সহজ করতে অনলাইনে স্টল বুকিং পোর্টাল চালু করেছে ত্রিপুরা শিল্প উন্নয়ন নিগম (TIDC Ltd.)। শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তর সূত্রে প্রকাশিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।আগরতলার হাপানিয়া আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গণে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।প্রেস ব্রিফিং অনুযায়ী, স্টল বুকিং সম্পূর্ণভাবে “আগে এলে আগে পাবেন” (First Come, First Serve) ভিত্তিতে করা হবে এবং তা হবে শতভাগ অনলাইনে। এর জন্য নির্দিষ্ট ওয়েব পোর্টাল https://ticf.tripura.gov.in চালু করা হয়েছে। পোর্টালটি মোবাইল ফোন থেকেও ব্যবহারযোগ্য এবং এতে রিয়েল-টাইমে স্টলের প্রাপ্যতা দেখা যাবে।স্টল বুকিং শুরু হবে ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০টা থেকে এবং চলবে ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বুকিং চলাকালীন নেট ব্যাংকিং, ইউপিআই, ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে অর্থপ্রদান করা যাবে।মেলা প্রাঙ্গণে মোট ৪২,৪৭৫ বর্গফুট এলাকা জুড়ে প্রায় ৩৯০টি ইউনিট স্টল থাকবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, হস্তশিল্প, হ্যান্ডলুম, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, পর্যটন, অটোমোবাইল, গৃহসজ্জা সামগ্রী, স্টার্ট-আপ, SHG, PSU এবং সরকারি দপ্তরের অংশগ্রহণে মেলাটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।স্টলের ন্যূনতম আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ফুট × ৫ ফুট (৭৫ বর্গফুট)। প্রয়োজন অনুযায়ী বড় স্টলও বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রথম লোকেশনের স্টল নিলে মোট ভাড়ার উপর অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ অর্থ প্রদান করতে হবে।স্টল বাতিল করতে হলে বুকিংয়ের তারিখের পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে লিখিত আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে বুকিং অর্থ ফেরত দেওয়া হবে, তবে ৩০ শতাংশ প্রসেসিং ফি কেটে নেওয়া হবে।অনলাইন বুকিং সংক্রান্ত যেকোনো প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধানের জন্য শিল্প নিগম ভবন, খেজুরবাগান, আগরতলা–তে একটি হেল্প ডেস্ক চালু থাকবে, যা ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অফিস সময়ে খোলা থাকবে। হেল্প ডেস্কের যোগাযোগ নম্বর: ০৩৮১-২৩১০৩৯১।শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তর আশা প্রকাশ করেছে, এই নতুন অনলাইন ব্যবস্থার ফলে স্টল বরাদ্দ প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে এবং ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করা হবে।
