বার কাউন্সিল অব ত্রিপুরার কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে নির্বাচন সংক্রান্ত ঘোষণা দিচ্ছেন রিটার্নিং অফিসার ও প্রাক্তন বিচারপতি স্বপন চন্দ্র দাস। পাশে উপস্থিত চেয়ারম্যান রতন দত্ত, ভাইস চেয়ারম্যান কাকলী দেব ও সম্পাদক রাণাগোপাল চক্রবর্তী।
আগরতলা:বার কাউন্সিল অব ত্রিপুরার নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার বার কাউন্সিল অব ত্রিপুরার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি প্রকাশ করা হয়। ইতিমধ্যেই নির্বাচন সংক্রান্ত নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছে।ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) বার কাউন্সিল অব ত্রিপুরার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা করা হবে এবং ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করা হবে।সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার তথা রিটার্নিং অফিসার, ত্রিপুরা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি স্বপন চন্দ্র দাস। তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ১৫ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে ৮ জন সদস্য হবেন রাজ্য রোলে অন্তত ১০ বছর ধরে অন্তর্ভুক্ত আইনজীবীদের মধ্য থেকে, যা অ্যাডভোকেটস অ্যাক্ট, ১৯৬১ অনুযায়ী নির্ধারিত।

তিনি আরও জানান, সুপ্রিম কোর্ট ও বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার নির্দেশ অনুযায়ী এবারের নির্বাচনে মোট আসনের ৩০ শতাংশ মহিলা আইনজীবীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং বাকি ১০ শতাংশ আসন বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া কো-অপশনের মাধ্যমে পূরণ করবে।নির্বাচনী কর্মসূচি অনুযায়ী—২ জানুয়ারি ২০২৬: খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ৯ জানুয়ারি: ভোটার তালিকা সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ১৩ জানুয়ারি: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ১৫ ও ১৬ জানুয়ারি: মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ১৯ জানুয়ারি: মনোনয়ন পত্র জমা২২ জানুয়ারি: মনোনয়ন পরীক্ষা ও বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ২৫ জানুয়ারি: প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশভোটগ্রহণ ত্রিপুরার বিভিন্ন জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বার কাউন্সিল অব ত্রিপুরার বর্তমান চেয়ারম্যান রতন দত্ত, ভাইস চেয়ারম্যান কাকলী দেব, সম্পাদক রাণাগোপাল চক্রবর্তী সহ অন্যান্য পদাধিকারীরা।রিটার্নিং অফিসার জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়া সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক গঠিত হাই পাওয়ার্ড ইলেকশন কমিটি ও সুপারভাইজরি কমিটির সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে এবং পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া হবে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ।
