
নতুন দিল্লি, ১৫ অক্টোবর:আজ নতুন দিল্লিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন চলমান প্রকল্প নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে রাজ্যের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সহযোগিতা কামনা করেন।

২. ব্রু-রিয়াং সম্প্রদায়কে এনএফএসএ প্রকল্পের আওতায় আনার প্রস্তাব:
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে অনুরোধ করেছেন ব্রু-রিয়াং সম্প্রদায়কে জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন (NFSA) প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে। এর ফলে রাজ্যের এই পুনর্বাসিত জনগোষ্ঠী খাদ্য নিরাপত্তার সুবিধা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৩. ত্রিপুরায় রেলপথ দ্বিগুণকরণের উদ্যোগ:
ত্রিপুরার রেল যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করতে রাজ্যে রেলপথ দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে এই প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সহযোগিতা বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে রাজ্যের শিল্প ও পর্যটন খাতে নতুন দিগন্ত খুলবে বলে মনে করছেন প্রশাসন।
৪. আগরতলা–গুয়াহাটি রুটে বন্দে ভারত চালুর দাবি:
ত্রিপুরাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী আগরতলা থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালুর আবেদন করেছেন। এটি চালু হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

৫. ত্রিপুরায় ১৫টি নতুন ইএমআরএস স্থাপনের প্রস্তাব।
আদিবাসী শিক্ষার প্রসারে মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে ১৫টি নতুন একলব্য মডেল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল (EMRS) অনুমোদনের অনুরোধ করেছেন। এই উদ্যোগ রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ দেবে।
৬. আগার বোর্ড ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ
:ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী আগার শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানে তুলে ধরতে মুখ্যমন্ত্রী আগার বোর্ড ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব রেখেছেন। এতে রাজ্যের অর্থনীতি ও রপ্তানি খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

৭. উনাকোটি ঐতিহ্যবাহী স্থানের টেকসই উন্নয়নের পরিকল্পনা:
ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান পাওয়া উনাকোটি স্থানের টেকসই উন্নয়নের জন্য বিশেষ প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।
