আঠারোমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে সাপের ছোবলে আহত জনজাতি নারী, প্রাণে রক্ষা চিকিৎসকদের তৎপরতায়তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি, ০৯ নভেম্বর:বিকেলের নিস্তব্ধতা ভেঙে আতঙ্ক ছড়াল তেলিয়ামুড়া মহকুমার আঠারোমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে।মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের ৪৩ মাইল এলাকার বাসিন্দা পততি রিয়াং, প্রতিদিনের মতো বিকেলে শাকসবজি সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন জঙ্গলে। কিন্তু হঠাৎই বিষধর সাপের ছোবলে আক্রান্ত হন তিনি।চিৎকার শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে পততি রিয়াংকে উদ্ধার করে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সৌভাগ্যবশত এবার হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টি-ভেনম সেরাম মজুত ছিল। চিকিৎসকরা দ্রুত ব্যবস্থা নেন এবং ইনজেকশন দেওয়ায় তাঁর প্রাণে রক্ষা হয়।ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছান জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা। তিনি আহত পততি রিয়াং-এর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন ও চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করেন।মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন

“বিগত দিনে হাসপাতালে অ্যান্টি-ভেনম না থাকার কারণে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। আজ পততি রিয়াং বেঁচে গিয়েছেন কারণ তিনি সময়মতো হাসপাতালে এসেছেন। আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, সাপের ছোবল লাগলে ওঝার কাছে নয়, সরাসরি হাসপাতালে আসুন — এখানেই রয়েছে জীবনরক্ষার সঠিক ব্যবস্থা।”এদিকে স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে এখন রাজ্যের প্রায় সব সরকারি হাসপাতালে অ্যান্টি-ভেনম সেরাম পৌঁছে গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পাহাড়ি ও প্রত্যন্ত এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যাতে মানুষ অন্ধবিশ্বাস নয়, বিজ্ঞানের ওপর আস্থা রাখেন।
