নিজস্ব প্রতিনিধি, বড়জলা:আত্মনির্ভর ভারত সংকল্প অভিযান উপলক্ষে বড়জলা মণ্ডলের উদ্যোগে এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন দলের সক্রিয় কর্মী, নির্বাচিত সদস্যসহ স্থানীয় নেতৃত্ব। অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পকে কীভাবে তৃণমূল স্তরে আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে বিশদ আলোচনা ও পরিকল্পনা গ্রহণ।কর্মশালার শুরুতে বক্তারা আত্মনির্ভর ভারত গড়ার পথে সংগঠনের ভূমিকা ও জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মণ্ডল সভাপতি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো যোগ্যতার ভিত্তিতে সকলকে সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা, যাতে প্রতিটি নাগরিক তার নিজের উন্নয়নের অংশীদার হতে পারে।অনুষ্ঠান শেষে বিজয়া দশমী উপলক্ষে উপস্থিত সকলকে মিষ্টিমুখ করান মণ্ডল সভাপতি।কর্মশালার পরবর্তী পর্বে কার্যকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় চলাকালীন বিভিন্ন প্রশ্নও উঠে আসে। কেউ কেউ সাম্প্রতিক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে মত প্রকাশ করে অভিযোগ তোলেন যে, কিছু ক্ষেত্রে সিপিএম ঘনিষ্ঠরা চাকরিতে অগ্রাধিকার পাচ্ছেন।এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে উপস্থিত নেতৃত্ব বলেন, “সরকার গঠনের পর জনগণ আর কোনও বিশেষ দলের নয় — তারা ত্রিপুরার নাগরিক। সরকার যোগ্যতার ভিত্তিতেই চাকরি, ভাতা বা অন্যান্য সুবিধা প্রদান করে। প্রশাসনের মান বজায় রাখা এবং স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।”নেতৃত্ব আরও জানান, আঞ্চলিক পক্ষপাতিত্ব না রেখে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে, যাতে দীর্ঘমেয়াদে রাজ্যের প্রশাসন আরও শক্তিশালী হয়।অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মণ্ডল সভাপতি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “একটি সরকার চালাতে গেলে নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতি নিয়ে এগোতে হয়। মতভেদ থাকলে তা সংগঠনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করাই শ্রেয়।”
